ওয়াশিংটনের হিলটন হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজ চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে। সিক্রেট সার্ভিসের তৎপরতায় প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ৩১ বছর বয়সী কোল টমাস অ্যালেন নামের এক ব্যক্তি হোটেলের নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তাঁর কাছে একটি শটগান, একটি হ্যান্ডগান এবং একাধিক ছুরি ছিল। কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোলাগুলির পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওই হোটেলেরই একজন অতিথি ছিলেন বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার পর হোটেলের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কিম ডেরক জানান, হোটেলের তল্লাশি ব্যবস্থা অত্যন্ত শিথিল ছিল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, হামলাকারী সিক্রেট সার্ভিসের একটি তল্লাশিচৌকি দ্রুত পার হয়ে বলরুমের কাছাকাছি পৌঁছে যান।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ঘটনার পর বলেন, হিলটন হোটেলটি পর্যাপ্ত নিরাপদ ছিল না। তিনি এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে একটি নতুন এবং অধিকতর নিরাপদ হোয়াইট হাউস বলরুম নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি সিক্রেট সার্ভিসের সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও পেনসিলভানিয়া এবং ফ্লোরিডায় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতার হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
ওয়াশিংটনের হিলটন হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে এই হামলার চেষ্টা চালানো হয়।
সূত্র: Prothom Alo

0 Comments