ইরান যুদ্ধে স্পেনের কাছ থেকে আশানুরূপ সহযোগিতা না পাওয়ায় দেশটিকে সামরিক জোট ন্যাটো থেকে বাদ দেওয়ার জন্য তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই প্রেক্ষাপটে ন্যাটো জানিয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তিতে কোনো সদস্যরাষ্ট্রকে বহিষ্কার বা তাদের সদস্যপদ স্থগিত করার কোনো আইনি ব্যবস্থা নেই। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ ই-মেইলের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধে সরাসরি সহায়তা ও সমর্থন দিতে ব্যর্থ হওয়া ন্যাটো মিত্রদের শাস্তির আওতায় আনতে বিভিন্ন বিকল্প পথ খুঁজছে ওয়াশিংটন। এমনকি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করার বিষয়েও ই-মেইলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি কিংসলে উইলসন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের জন্য সবকিছু করার পরও অনেক সময় তারা ওয়াশিংটনের পাশে থাকে না। এদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো স্যানচেজ এই প্রতিবেদনের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, তারা কোনো ই-মেইলের ভিত্তিতে নয় বরং আনুষ্ঠানিক নথি ও সরকারি অবস্থানের ভিত্তিতে কাজ করেন। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানো তাদের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী। জার্মানি ও ইতালি এই পরিস্থিতিতে ন্যাটো মিত্রদের ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং ইউরোপীয় স্তম্ভকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছে।
ইরান যুদ্ধে সমর্থন না পাওয়ায় স্পেনকে ন্যাটো থেকে বাদ দেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ন্যাটো জানিয়েছে, সদস্য বহিষ্কারের কোনো নিয়ম নেই। এই নিয়ে মিত্র দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
সূত্র: Prothom Alo

0 Comments