সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মনজু বিন আফনানের নেতৃত্বে কলাতলী সৈকত এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে প্রশাসনের উপস্থিতিতে অনেক ব্যবসায়ীকে নিজ উদ্যোগেই তাদের অস্থায়ী দোকান সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ত্রিপল ও প্লাস্টিকে তৈরি এসব ঝুপড়ি দোকান সৈকতের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছিল। এসব দোকান সরানোর মাধ্যমে সৈকতের সৌন্দর্য পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, সৈকতের পরিবেশ, সৌন্দর্য ও পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সৈকতের অন্যান্য পয়েন্টেও অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এসময় সৈকতে অনুমোদিত কার্ড অনুযায়ী নির্ধারিত সংখ্যক কিটকট চেয়ার বসানো হচ্ছে কি না, সেটিও তদারকি করেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
সম্প্রতি জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সমুদ্র সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা দেন। সেই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সুগন্ধার পর এবার কলাতলী সৈকতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
0 Comments