স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, তারা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে চাউলের কার্ড পাওয়ার আশায় খোঁজ নিতে গেলে জানতে পারেন কার্ডগুলো নাকি আগেই বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এতে অনেক প্রকৃত দরিদ্র মানুষ কার্ড থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন তারা।
এক ভুক্তভোগী জানান, আমরা গরিব মানুষ, ভেবেছিলাম সরকারের দেওয়া চাউলের কার্ডটা পেলে পরিবার নিয়ে একটু স্বস্তিতে থাকতে পারব। কিন্তু এসে শুনি কার্ড নাকি আগে থেকেই বিএনপি-জামায়াতের লোকজনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এখন আমাদের মতো গরিবদের নাম নাকি তালিকাতেই নেই।
এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত দরিদ্রদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়, এটাই তাদের প্রত্যাশা। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আমরা এ বছর নিজেদের চাহিদা মতো কার্ড দিতে সক্ষম হয়নি৷ এবারের কার্ডগুলো বিএনপি জামায়েত দুদলের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে৷ তারা নিজেদের দায়িত্ব মতো কার্ড যাদের দিয়েছে আমরা তাদের চাউল দিয়েছি৷
0 Comments