ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ও মনোনীত নারী প্রার্থীদের লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ছবি, স্যাটায়ার পেজের ব্যঙ্গাত্মক পোস্টকে বাস্তব সংবাদ হিসেবে প্রচার এবং বানোয়াট মন্তব্য জুড়ে দিয়ে নারী প্রার্থীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মারদিয়া মমতাজের একটি বিকৃত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা এআই দিয়ে তৈরি বলে শনাক্ত হয়েছে। একইভাবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সুবর্ণা শিকদার ঠাকুর এবং মনোনয়নপ্রত্যাশী অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের নামেও বিভিন্ন স্যাটায়ার পেজের বরাতে ভুয়া বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়া ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী মানসুরা আলমের ২০১৪ সালের একটি ব্যক্তিগত ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতির সঙ্গে তোলা ছবি দাবি করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার ও ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে মূলত তিনটি কৌশলে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এগুলো হলো—এআই দিয়ে তৈরি বা বিকৃত ছবি, স্যাটায়ার কনটেন্টকে বাস্তব হিসেবে প্রচার এবং ব্যক্তির নামে বানোয়াট মন্তব্য। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধরনের ডিজিটাল সহিংসতা নারীদের জনপরিসর ও রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নারীদের লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে ভুয়া ছবি ও বানোয়াট তথ্য। এআই প্রযুক্তি ও স্যাটায়ার পোস্ট ব্যবহার করে চালানো এই অপপ্রচার রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করছে।
সূত্র: প্রথম আলো

0 Comments