বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী-ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে যানবাহন চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যেখানে আগে হাজারো যানবাহনের চাপ থাকত, সেখানে এখন হাতে গোনা কিছু যান চলাচল করছে।
জেলার অভ্যন্তরে সীমিত আকারে কিছু যানবাহন চললেও দূরপাল্লার যাত্রা প্রায় বন্ধের পথে। তেলের সংকটের কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া দূরে যেতে চাইছেন না চালকরা।
তবে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ইরান-আমেরিকার সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে পরিবহন খাতে। চালক ও যাত্রীরা আশা করছেন, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে তেলের সংকট কেটে যাবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক সড়কে আগের মতো যানবাহনের চাপ নেই। অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত গাড়ির দখলে রয়েছে সড়কের বড় অংশ। ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলনির্ভর যানবাহন এবং মোটরসাইকেলের সংখ্যা কমে গেছে।
বাইকচালক আজিজুল হক সৌরভ জানান, কোথাও তেল পাওয়া যায় না, মাঝে মাঝে পাম্পে তেল এলে নিতে হয়। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তিনি বাইরে বের হন না।
ট্রাকচালক জহুরুল ইসলাম বলেন, তেল সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন পাম্পে ঘুরেও তেল পাওয়া যায়নি। তবে সাময়িক যুদ্ধবিরতির খবরে পরিস্থিতি উন্নতির আশা করছেন তিনি।
পথচারী আবুল বাশার বলেন, সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কম থাকায় চলাচল কিছুটা সহজ হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিবহন খাতে আরও বড় সংকট দেখা দিতে পারে।
0 Comments