মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, অভিযানে ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও বড় কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তার মতে, অভিযান শুরুর আগেই অনেক সময় খবর ফাঁস হয়ে যাওয়ায় দাগী অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।
কমিশনার বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে গড়ে ওঠা সমন্বিত অপরাধী সিন্ডিকেট দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এর ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ঢাকা–ময়মনসিংহ, ঢাকা–সিলেট ও ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আশপাশের সড়কগুলোতে ফুটপাত দখল, পরিবহন স্ট্যান্ড এবং বিভিন্ন অলিগলিতে ট্রাক ও গাড়ির পার্কিংকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঁদাবাজি চলে। এসব কার্যক্রম থেকে প্রতিদিন বিপুল অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া টঙ্গী এলাকায় অন্তত ১৯টি বস্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার জন্য আলোচিত। টঙ্গীকে কেন্দ্র করেই জিএমপির দক্ষিণ অপরাধ বিভাগের আওতায় বৃহত্তর টঙ্গী, গাজীপুরা, গাছা ও পূবাইল এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে গত ১৩ মার্চ বিকেলে টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকায় ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালায় পুলিশ। জিএমপি কমিশনার ও গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য উপস্থিত থাকলেও দীর্ঘ সময় চেষ্টার পরও কোনো দোকান উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার বলেন, ২০২৪ সালে পুলিশের মনোবল কিছুটা ভেঙে যাওয়ায় নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে, ঈদের আগেই মহাসড়কের ফুটপাত উচ্ছেদ করা সম্ভব হবে।
এদিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অভিযানের আগেই কীভাবে তথ্য ফাঁস হয়ে যায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
0 Comments