ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বুধবার গণমাধ্যমকে জানান, এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-এর কথা উল্লেখ করে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে হলে প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইলসহ শনাক্তকরণ তথ্য প্রচার শুরুর আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।
এছাড়া বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ২২-এর (২) অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব ধরনের প্রচার-প্রচারণার ব্যয় সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণায় যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তা রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে, সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনার মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটে ডিজিটাল প্রচারণায় স্বচ্ছতা ও আচরণ বিধিমালা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে চায় নির্বাচন কমিশন।
0 Comments