মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা-২ সংসদীয় আসনের দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে।
জামায়াতের আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. রাসেল, মো. নাঈম, মো. বিল্লাল, মো. মিজান ও মো. সিফাত। বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাসেল (২৬), মিজান (৩৫), রাকিব (২৭) ও রিয়াজ (২৭)। গুরুতর আহত জামায়াতের পাঁচজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিএনপির তিনজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় দুই দলের নেতাকর্মীরা একে অপরকে দায়ী করছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে মুন্সিরহাট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিল। এসময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করা বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি হয়ে প্রথমে তর্কে এবং পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আশ্রাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করেছেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় মোট ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত পাঁচজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করেছেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণার নামে পরিকল্পিতভাবে তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। গুরুতর আহত তিন কর্মী স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
দৌলতখান থানা পুলিশের ওসি মো. সাইফুল ইসলাম শিকদার জানিয়েছেন, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি।
0 Comments