এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্টল পেয়েছে। মোট ইউনিট সংখ্যা ১ হাজার ১৮।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় থাকছে লিটল ম্যাগাজিন চত্বর, যেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের জন্য স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিশু চত্বরে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান ও ১০৭টি ইউনিট থাকছে।
মেলার বিন্যাস গতবারের মতো থাকলেও মেট্রোরেল স্টেশনের কারণে বাহিরপথ কিছুটা সরিয়ে মন্দির গেটের কাছে নেওয়া হয়েছে। টিএসসি, দোয়েল চত্বর, এমআরটি বেসিং প্ল্যান্ট ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন এলাকায় থাকবে চারটি প্রবেশ ও বাহিরপথ।
খাবারের স্টলগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের সীমানা ঘেঁষে সাজানো হয়েছে। নামাজের স্থান, ওয়াশরুমসহ প্রয়োজনীয় সেবা অব্যাহত থাকবে। পবিত্র রমজান উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে তারাবির নামাজের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রি করবে।
প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মূল মঞ্চে সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। শিশুদের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা হয়েছে।
মেলার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, আনসারসহ বিভিন্ন সংস্থা। এলাকাজুড়ে বসানো হয়েছে প্রায় ৩০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। সাদা পোশাকের বিশেষ পুলিশ টিম ও সোয়াট সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে।
২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন (ছুটির দিন ব্যতীত) বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের মেলাকে পরিবেশ-সচেতন ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
0 Comments