বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৬ বছরে স্বাস্থ্যখাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শুধু এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগই নয়, তাদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক সংখ্যা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং ওষুধের প্রাপ্যতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিক যেন এই অধিকার ভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সরকারি হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা না থাকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি শুধু সিরাজগঞ্জের সমস্যা নয়, সারাদেশেই টিকার সংকট রয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সমন্বয় সভা করা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল পরিদর্শনের আগে প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ একেএম শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমীন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক-কাম-পরিচালক ডা. আকিকুন নাহার মনি এবং আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা শিমুল তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।
0 Comments