মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির সভায় ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন উপ-কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই পাইলটিং কার্যক্রম অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলায় কর্মসূচি শুরু হবে। প্রতিটি উপজেলার একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ১০ মার্চ একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
মন্ত্রী জানান, হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মা’রা এ কার্ডের সুবিধাভোগী হবেন। নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
তিনি বলেন, কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য থাকবে না। এটি একটি সর্বজনীন কার্ড হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে। আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলট কার্যক্রম সম্পন্ন করে পরবর্তীতে সব উপজেলায় ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হবে।
সুবিধাভোগী নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঘরে বসে তালিকা নয়; ডোর টু ডোর পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কমিটি থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা তদারকি করবেন এবং তথ্য যাচাইয়ে দুই স্তরের চেকিং ও রি-চেকিং ব্যবস্থা থাকবে।
0 Comments