৪নং ওয়ার্ডের একাধিক সচেতন নাগরিক জানান, দীর্ঘদিন পর একজন শিক্ষিত, স্পষ্টভাষী ও অন্যায়ের প্রতিবাদী তরুণ নেতৃত্ব সামনে আসায় এলাকায় ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষিত যুব সমাজ রাজনীতিতে এগিয়ে এলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব।
সম্ভাব্য প্রার্থী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুব সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, তাহলে একটি সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। আমি ৪নং ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
৪নং ওয়ার্ড, ৩নং হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদ, উখিয়া-এর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তরুণ প্রজন্মের অনেকেই তার পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। তার বন্ধু, সহকর্মী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোয়া ও সমর্থন কামনা করে পোস্ট দিচ্ছেন, যা ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তরুণ ও শিক্ষিত প্রার্থীদের অংশগ্রহণ গ্রামীণ রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে। এতে করে ভোটারদের মধ্যেও সচেতনতার নতুন ধারা তৈরি হচ্ছে।
এখন দেখার বিষয়, আসন্ন নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয় এবং তরুণ নেতৃত্ব কতটা আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়। তবে ইতোমধ্যেই ৪নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থী মোহাম্মদ রাসেলকে ঘিরে যে আলোচনার ঝড় উঠেছে, তা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
0 Comments