চরম হুমকির মুখে রয়েছে চকরিয়া পৌরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওপর নির্মিত শহররক্ষা বাঁধ, অসংখ্য সড়ক, ধর্মীয় স্থাপনা, কবরস্থান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কেবল ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নদীতীরে মজিদিয়া মাদরাসা এলাকা, মামা–ভাগিনার মাজার, নামার চিরিঙ্গা, বাঁশঘাট ও স্টেশনপাড়ায় অন্তত ১২টি বাড়ি ইতোমধ্যে বিলীন হয়েছে, শতাধিক বাড়ি বিলীনের অপেক্ষায়। হাজিয়ান বিলের কৃষিজমিও ভাঙনের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, জমিতে ফাটল ধরেছে এবং বড় অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম।
পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মুজিবুল হক মুজিব বলেন, শত শত পরিবার এখন ভাঙনের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে, অথচ সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ–সহকারী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, লক্ষ্যারচর, বিএমচর ও কোনাখালীতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং চলছে। উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত এসডিই মো. জামাল বলেন, নতুন ভাঙনের কারণে রক্ষাবাঁধ ও আশপাশের বসতবাড়ি রক্ষায় প্রকল্প প্রস্তাবনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, তবে বরাদ্দের নির্দেশনা এখনো আসেনি।
বান্দরবান পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী অরূপ চক্রবর্তী জানান, ৬০০ মিটার জরুরি প্রতিরক্ষা কাজের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে এবং অনুমোদন পেলে বালুর বস্তা ও সিসি ব্লক বসানোর কাজ শুরু হবে। ততদিন স্থানীয়দের অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই।
0 Comments