কুনার জৈন বলেন, “ওই তরুণকে দাগী অপরাধীর মতো ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি মানবিক বিপর্যয়।”
ঘটনার সময় প্রায় ৫০ জন মানুষ উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি। জৈন জানান, “সে কিছুটা উগ্র আচরণ করছিল এবং হরিয়ানভি ভাষায় কথা বলছিল, যা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারেনি। আমি সাহায্য করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি, বরং আরও পুলিশ ডেকে আনে।”
এদিকে, নিউইয়র্কস্থ ভারতীয় দূতাবাস জানায়, তারা ইতোমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, শিক্ষার্থীর আচরণে উগ্রতা দেখা দেওয়ায় বিমান কর্তৃপক্ষ তাকে বিমানে নিতে অস্বীকৃতি জানায়, কারণ এতে অন্যান্য যাত্রীরা ঝুঁকিতে পড়তে পারতেন। পরে সাত-আটজন পুলিশ এসে তাকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষের আচরণকে “অমানবিক ও লজ্জাজনক” বলে মন্তব্য করেন অনেকে।
0 Comments