বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ও সুলভ ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হলেও এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন অসুস্থ কনটেন্ট শিশুদের স্বাভাবিক মেধা বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে কুরুচিপূর্ণ হাস্যরস, উগ্রতা এবং বিকৃত রুচির ভিডিওর আধিক্য দেখা যাচ্ছে। সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার আশায় নির্মাতারা অনেক সময় নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে এমন সব বিষয় প্রচার করছেন যা শিশুদের কোমল মনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এর ফলে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বাল্যবিবাহের মতো ঝুঁকি এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবাধ মেলামেশার মতো সামাজিক সমস্যা বাড়ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কল্পনাশক্তি হ্রাস পাওয়া, আচরণগত বিকৃতি এবং পড়াশোনায় অনীহা তৈরির মতো বিষয়গুলোও সামনে আসছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অভিভাবকদের নজরদারি বৃদ্ধি, শিশুদের মাঠের খেলাধুলা ও বই পড়ার অভ্যাস গড়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইন্টারনেটে অসুস্থ কনটেন্টের সয়লাবে শিশুদের মেধা বিকাশ ও আচরণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় অভিভাবকদের সচেতনতা, খেলাধুলা ও সামাজিক উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

0 Comments