রাজীবের বড় ভাই সুলতান আহমেদ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “রাজীব আমাকে ছাড়া খেতও না। এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না ও নেই।” চার ভাইয়ের মধ্যে রাজীব ছিলেন তৃতীয়।
ঈদের আগেই ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তারা। বন্ধুদের সঙ্গে আত্মীয়ের সম্পর্কও ছিল। সবাই মিলে আনন্দ করতে গিয়েও হারাতে হয় প্রাণপ্রিয় এক সদস্যকে।
রাজীব একজন গ্রাফিক ডিজাইনার ছিলেন, তার স্ত্রী এবং চার বছরের এক সন্তান রয়েছে। স্বজনেরা জানাচ্ছেন, রাজীব অত্যন্ত বিনয়ী ও সদালাপী ছিলেন। ১৭ বছর আগে বাবাকে হারানোর পর থেকে পরিবারকে আগলে রেখেছিলেন তিনি।
দু'দিন ঘুমহীন ভাই সুলতান এখন রাজীবের পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার কথা বলেন। পরিবার এবং এলাকাবাসী এখনো এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি।
সাগরে গোপন খালে আটকে গিয়ে রাজীবের মৃত্যু ঘটে বলে ধারণা করছেন জেলা প্রশাসনের কর্মীরা। এ নিয়ে ঈদের ছুটির মাত্র দুই দিনেই কক্সবাজারে সাগরে ডুবে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. ইলিয়াস খান জানান, সমুদ্র উত্তাল থাকায় লাল পতাকা টানানো হলেও অনেক পর্যটক সতর্কতা উপেক্ষা করে পানিতে নামছেন, যা মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
0 Comments