সিফাত পানিতে ডুবে গেলে তাঁকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেন বাবা শাহানুর, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত দু’জনকেই প্রাণ হারাতে হয়। পরে লাইফগার্ডরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলেও চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।
মর্মান্তিক এ ঘটনার খবর এখনো জানানো হয়নি শাহানুরের বাবা, ৮০ বছর বয়সী আবুল কালাম মন্টুকে। তিনি কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত এবং শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল। বছরখানেক আগে স্ত্রী আলিয়া খাতুনের মৃত্যুর পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। ফলে ছেলে ও নাতির মৃত্যু সংবাদ কীভাবে জানানো হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্বজনেরা।
বর্তমানে আবুল কালামকে জানানো হয়েছে, তাঁর ছেলে ও নাতি পানিতে ডুবে গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন এবং বাড়ি ফিরছেন। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর মহিষবাথান পূর্বপাড়ায় তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সবাই এক অজানা শোকে নিঃশব্দ, আর অসহায়ভাবে বসে আছেন বৃদ্ধ আবুল কালাম।
জানা গেছে, শাহানুর তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার গিয়েছিলেন। বড় ছেলে সিফাত সদ্য অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন। ছোট ছেলে রাহাত (১৬) দশম শ্রেণির ছাত্র। শাহানুরের স্ত্রী ইয়াসমিন আরা ঢাকায় চাকরি করেন।
লাশ রাজশাহীতে পৌঁছাবে ভোররাতে। বুধবার সকালে মহিষবাথান কবরস্থানে বাবা ও ছেলেকে পাশাপাশি কবর দেওয়া হবে।
0 Comments