এই আনন্দঘন পরিবেশের মাঝেও ঘটেছে প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনা। উত্তাল সাগরের ঢেউয়ে ভেসে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বাবা-ছেলেসহ চারজন। এর মধ্যে রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনজন পর্যটক এবং কক্সবাজার শহরের এক স্থানীয় বাসিন্দা রয়েছেন।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল, টুরিস্ট পুলিশ এবং সী সেফ লাইফ সংস্থার পক্ষ থেকে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও, পর্যটকদের অসচেতনতা কিছু ক্ষেত্রে ট্র্যাজেডির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাইফগার্ড কর্মীরা বারবার সতর্ক করলেও, অনেকে নির্দেশনা মানছেন না বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
তবে শুধুই সমুদ্র নয়—মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি, ইনানী, পাটুয়ারটেক, রামু বৌদ্ধ বিহার, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দিরসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানেও পর্যটকদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো।
হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির তথ্যমতে, আগামী ১৪ জুন শনিবার পর্যন্ত পর্যটকের চাপ অব্যাহত থাকবে এবং আগামী ৪ দিনেও আরও অন্তত ৪ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে কক্সবাজারে ঈদের ছুটির আমেজ পরিণত হয়েছে উৎসবমুখর ভ্রমণ উল্লাসে।
0 Comments