স্থানীয়দের দাবি, জাহাঙ্গীর আলম একজন নিরীহ জেলে ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী। তার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এলাকাবাসী রাস্তা অবরোধ করলে বিজিবির সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষ হয় এবং বিজিবি গুলি ছোড়ে, যাতে ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ২ জন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ১০ জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বিজিবির দাবি ভিন্ন। তারা বলছে, জাহাঙ্গীর একজন মানবপাচারকারী এবং মাদক চোরাকারবারি। তিনি ২৮ মে বিজিবির ওপর হামলার মামলার আসামি। বিজিবি জানায়, গ্রেপ্তারের পর উত্তেজিত জনতা অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, এতে ১০ জন বিজিবি সদস্য আহত হয় এবং আত্মরক্ষার্থে তারা ফাঁকা গুলি চালায়।
তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মানবাধিকার কর্মীরা বিজিবির ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছেন। কক্সবাজারের আইনজীবী আবদুল মান্নান বলেছেন, “তদন্তাধীন মামলায় বিজিবি কীভাবে আসামিকে গ্রেপ্তার করল, তা নিয়ে আইনগত প্রশ্ন আছে।”
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে কোনো মাদক বা মানবপাচারের মামলা নেই বলে পুলিশ জানিয়েছে।
0 Comments