কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে পান চাষ হচ্ছে, যার মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলের চাষ কৃষি বিভাগের হিসাবের বাইরে। সর্বাধিক পান উৎপাদিত হচ্ছে মহেশখালী উপজেলায়, যেখানে প্রায় ১৪০০ হেক্টর জমি পানের আওতায় রয়েছে।
চাষিরা জানিয়েছেন, ফলন ও বাজারমূল্য দুটোই ভালো হওয়ায় তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। মিষ্টি পানের মধ্যপ্রাচ্যে চাহিদা বাড়ায় রপ্তানিও বেড়েছে। এ কারণে দেশের বাজারেও মূল্য বেড়েছে। তবে তারা চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ এবং রপ্তানি সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তা কাইছার উদ্দিন জানান, সার ও কীটনাশক সহজলভ্য থাকায় কৃষকরা নির্বিঘ্নে চাষ করতে পেরেছেন। কৃষি বিভাগ মৌসুমজুড়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে পাশে থেকেছে।
0 Comments