রেলপুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অবশেষে হাওড়ায় লুকিয়ে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত অধ্যাপককে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে ১৬ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। অভিযোগপত্রে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-র ৭৪, ৬৪ ও ৬২ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত পক্ষ দাবি করছে, প্রথমে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানালেও পরে অভিযোগকারিণী ধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত করেন, যা সন্দেহজনক এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তদন্ত চলমান এবং পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
0 Comments