গত ২ জুন ঘটনার দিন বৃদ্ধের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। পরিবারের সদস্যরা ফিরে এসে বৃদ্ধের খোঁজ না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ বৃদ্ধের অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার করে বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরের এক নির্জন জায়গা থেকে।
গ্রেফতার হওয়া এক মহিলা পুলিশকে জানান, ওই বৃদ্ধ তাঁর ফাঁকা বাড়িতে এসে বারবার যৌন নির্যাতন করতেন। বহু নারীকেই একইভাবে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছিলেন। সেই ক্ষোভেই ওইদিন বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা বৃদ্ধের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ চালিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় এবং পরে তাঁর দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
গ্রামবাসীদের ভাষ্যমতে, বৃদ্ধ বহু বিধবা ও তরুণীকে ভয় দেখিয়ে যৌন হেনস্থা করতেন। তাঁকে নিয়ে বহুবার গ্রামে অশান্তি হলেও কোনো পরিবর্তন হয়নি তাঁর আচরণে। শেষ পর্যন্ত নারীরা মিলেই নেন ভয়ানক প্রতিশোধ।
এই ঘটনায় পুলিশ দশজনকে গ্রেফতার করেছে, যার মধ্যে আটজনই নারী। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পুলিশ বলছে, এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড হলেও এর পেছনের সামাজিক প্রেক্ষাপট গভীরভাবে বিবেচনার দাবি রাখে।
0 Comments