কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে পুনরায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। বৈরী আবহাওয়া এবং মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এই সরবরাহ বন্ধ ছিল। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সামিট জানায়, এদিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি সরবরাহ শুরু করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে দৈনিক ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, গ্যাসের চাপ ধীরে ধীরে বাড়িয়ে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার মধ্যে টার্মিনালটিকে পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তবে সামিটের সরবরাহ শুরু হলেও নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) একটি সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে রাত ৯টার দিকে এটি পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, মহেশখালীতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির দৈনিক সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং সামিটের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গত ২১ জুলাই এক অগ্নিকাণ্ডের পর এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে গেলে দেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট থেকে সীমিত পরিসরে সরবরাহ শুরু হলেও তা চাহিদার তুলনায় ছিল নগণ্য।
বর্তমানে একটি টার্মিনাল চালু হলেও অন্যটিতে বিঘ্ন ঘটায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। আগামী কয়েক ঘণ্টায় দুটি টার্মিনাল কত দ্রুত পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে পারে, তার ওপরই দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নির্ভর করছে।
মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। তবে একই সময়ে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।


0 Comments