পর্যটন শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও ছিনতাই প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে পরিচালিত এই চেকপোস্টে উপস্থিত থেকে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সতর্ক ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, “পর্যটকদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কক্সবাজারে কেউ যেন অস্বস্তিতে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই আমরা প্রতিদিন মাঠে আছি। ছিনতাই বা অপরাধের কোনো সুযোগ ট্যুরিস্ট পুলিশ দেবে না।”
চেকপোস্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টসহ শহরের বিভিন্ন মোড়ে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় বিশেষ টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং মোটরসাইকেলসহ যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের এমন উদ্যোগে তারা নিজেদের আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ মনে করছেন। বিশেষ করে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও কলাতলী এলাকায় রাতের ছিনতাইয়ের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
নিরাপত্তা জোরদারে ট্যুরিস্ট পুলিশের এই তৎপরতা কক্সবাজারের পর্যটন ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করছেন সাধারণ নাগরিকরা।
0 Comments