দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী করার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বর্তমান সংসদীয় সমীকরণ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর প্রার্থিতাকে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার কারণে বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে তাঁর বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে একজন অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে মির্জা ফখরুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন। ঠাকুরগাঁওয়ের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা শেষ করে তিনি অধ্যাপনা পেশায় যুক্ত ছিলেন। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং দীর্ঘ সময় ধরে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সংসদ সদস্য ও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আলোচনায় এসেছে। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তাঁকে এই পদের জন্য যোগ্য মনে করছে দলটি।


0 Comments