Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

বিসিবি নির্বাচনেও সরকারি প্রভাবের ছায়া: আনুষ্ঠানিকতার ভোটে একপেশে জয়ের হাতছানি

বিসিবি নির্বাচনেও সরকারি প্রভাবের ছায়া: আনুষ্ঠানিকতার ভোটে একপেশে জয়ের হাতছানি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আবারও একপেশে ও প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বছরের অক্টোবরের নির্বাচনের মতো এবারের নির্বাচনটিও কেবল আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার আয়োজনে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং সন্ধ্যা ৬টায় ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির অধীনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে আমিনুল ইসলাম যখন বোর্ড সভাপতি ছিলেন, তখনও নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবারের নির্বাচনেও সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত এপ্রিলে গঠিত অ্যাডহক কমিটির সাতজন সদস্যই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া প্রার্থীদের একটি বড় অংশই ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য বা প্রভাবশালী নেতাদের আত্মীয়স্বজন।

নির্বাচনের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ১০টি পরিচালক পদের মধ্যে ৭ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। শুধুমাত্র বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি পদের জন্য ভোট হচ্ছে, যেখানে মূলত ক্ষমতাসীনদের মধ্যেই প্রতিযোগিতা সীমাবদ্ধ। ক্যাটাগরি-৩-এর একমাত্র পরিচালকও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। ক্লাব ক্যাটাগরিতে ১২টি পদের বিপরীতে ১৬ জন প্রার্থী থাকলেও অধিকাংশেরই বোর্ডে বসা নিশ্চিত হয়ে গেছে। সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার সময়ের মতো এবারও পছন্দের কাউন্সিলর ও প্রার্থী নির্ধারণের মাধ্যমে নির্বাচনের ছক সাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে আরও একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মুখোমুখি বিসিবি।

সংক্ষেপে:
বিসিবি নির্বাচনে আবারও একপেশে ও প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মিরপুরে আনুষ্ঠানিকতার এই ভোটে সরকারি হস্তক্ষেপ ও স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক।

Post a Comment

0 Comments