Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

তেরোশ আঞ্চলিক গানের স্রষ্টা অনিল হাজারিকা এখন অসুস্থ ও অসহায়, প্রয়োজন সরকারি সহায়তা

তেরোশ আঞ্চলিক গানের স্রষ্টা অনিল হাজারিকা এখন অসুস্থ ও অসহায়, প্রয়োজন সরকারি সহায়তা

বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ভাষাকে গানের মাধ্যমে দেশজুড়ে পরিচিত করা গুণী শিল্পী অনিল হাজারিকা এখন জীবনযুদ্ধের কঠিন সময়ে রয়েছেন। সত্তর বছর বয়সী এই গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী গত পাঁচ বছর ধরে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসায় নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী। মাগুরার শালিখা উপজেলার ধনেশ্বরগাতী ইউনিয়নের তিলখড়ি গ্রামের বাসিন্দা অনিল হাজারিকা প্রায় ১ হাজার ৩০০ আঞ্চলিক গান রচনা ও সুর করেছেন।

মৃত হাজারী লাল বিশ্বাসের বড় ছেলে অনিল হাজারিকার গানের হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর বাবার কাছেই। মাত্র ২০ বছর বয়স থেকে গান লেখা শুরু করা এই শিল্পী ১৯৮৫ সালে খুলনা বেতারের তালিকাভুক্ত হন। তাঁর গানে বৃহত্তর যশোরের হারিয়ে যাওয়া শব্দ ও লোকজ ঐতিহ্য ফুটে উঠেছে। দীর্ঘ সংগীত জীবনে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগ, যশোরের নৃত্যবিতান এবং মাগুরা শিল্পকলা একাডেমি থেকে সম্মাননা লাভ করেছেন।

বর্তমানে অসুস্থতার কারণে গান গাইতে না পেরে অত্যন্ত কষ্টে দিন কাটছে তাঁর। স্ত্রী জ্যোৎস্না হাজারিকা জানান, স্বামীর চিকিৎসার পেছনে ইতিমধ্যে চার লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। সরকারি সহায়তা পেলে তিনি আবারও সুস্থ হয়ে গানের জগতে ফিরতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন, শিল্পী অনিল হাজারিকা যদি জেলা প্রশাসক বা উপজেলা প্রশাসনের কাছে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেন, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।

সংক্ষেপে:
তেরোশ আঞ্চলিক গানের স্রষ্টা অনিল হাজারিকা এখন হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। অর্থাভাবে বন্ধ রয়েছে চিকিৎসা। মাগুরার এই গুণী শিল্পীর জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন সরকারি ও বিত্তবানদের সহায়তা।

Post a Comment

0 Comments