Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী: তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর রাষ্ট্রদর্শনের প্রাসঙ্গিকতা

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী: তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর রাষ্ট্রদর্শনের প্রাসঙ্গিকতা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য নাম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতা যুদ্ধের সাহসী ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তক হিসেবে তিনি এ দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রাষ্ট্রদর্শন ও জাতীয়তাবাদী চেতনা নিয়ে নতুন করে আলোচনার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে যখন অস্থিরতা বিরাজ করছিল, তখন জিয়াউর রহমান জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হন। তিনি বিশ্বাস করতেন, গণতন্ত্রই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরায় চালু করেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ করে দেন। তাঁর রাষ্ট্রদর্শনের মূলে ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, যা দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে শক্তিশালী করে। জিয়াউর রহমান গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং যুবসমাজকে কর্মমুখী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁরই দূরদর্শী ভাবনায় ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যার লক্ষ্য ছিল মেধাবী ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা। তিনি চেয়েছিলেন ছাত্ররাজনীতি হোক সৃজনশীলতা ও দেশপ্রেমের প্ল্যাটফর্ম। রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি বাস্তববাদী নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর ‘খাল কাটো, দেশ গড়ো’ কর্মসূচি গ্রামীণ উন্নয়নে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক নির্মম হত্যাকাণ্ডে তাঁর জীবনাবসান ঘটলেও তাঁর আদর্শ আজও বহমান। বর্তমান সময়ে সমাজে বিভাজন ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে এবং একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনে জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও উৎপাদনমুখী রাজনীতির চর্চা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সংক্ষেপে:
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে তাঁর রাষ্ট্রদর্শন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম স্মরণীয়। আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে তাঁর আদর্শ আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রেরণার উৎস।

Post a Comment

0 Comments