জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মো. মনির হোসেন চৌধুরী জানান, সারাদেশে প্যানিক বায়িংয়ের কারণে মাঠপর্যায়ে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছিল। তবে বিপিসির পরিকল্পিত আমদানি ও স্বাভাবিক অপারেশনের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বড় অংকের ভর্তুকি দিয়ে সরবরাহ চেইন ঠিক রাখা কঠিন হওয়ায় গত ২০ এপ্রিল সহনীয় মাত্রায় দাম বাড়ানো হয়েছিল। বর্তমানে মে মাসের প্রয়োজনীয় জ্বালানি মজুত থাকায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও চীন থেকে ১৭টি পার্সেলে ৬ লাখ ৭৭ হাজার টন জ্বালানি আসার শিডিউল রয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৬২ হাজার টনের বেশি ডিজেল এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জেট ফুয়েল ও অকটেন রয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে পাঁচটি জাহাজ থেকে নিয়মিত জ্বালানি খালাস চলছে। মে মাসে ১৩টি পার্সেলে সাড়ে তিন লাখ টন ডিজেলসহ মোট সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি আমদানির শিডিউল চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রথমবারের মতো স্পট মার্কেট থেকে ২৫ হাজার টন ডিজেল কেনার জন্য পেট্রোগ্যাসের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ইস্টার্ন রিফাইনারিও পুনরায় উৎপাদনে ফিরছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
দেশে জ্বালানি তেলের সংকট কাটতে শুরু করেছে। মে মাসে সাড়ে ৫ লাখ টন তেল আমদানির প্রস্তুতি নিয়েছে বিপিসি। বর্তমানে পর্যাপ্ত ডিজেল ও অকটেন মজুত থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরছে।
সূত্র: Jagonews24
0 Comments