ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নে নিজের দাদি ও ফুফুসহ তিনজনকে কোদাল দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সোমবার রাত ১০টার দিকে ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আকাশ মোল্লা (৪০) ওই গ্রামের হারুন মোল্লার ছেলে।
নিহতরা হলেন- আকাশের দাদি আমেনা বেগম (৭৫), ফুফু সালেহা বেগম (৫৫) এবং প্রতিবেশী রিকশাচালক কাবুল চৌধুরী (৪৯)। এই হামলায় রিয়াজুল ইসলাম ও আরজিনা বেগম নামে আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে আকাশ তার দাদি ও ফুফুকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরীকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। বাধা দিতে গিয়ে আরও দুই প্রতিবেশী আহত হন। অভিযুক্ত আকাশ একসময় ফরিদপুর যক্ষ্মা হাসপাতালে পিয়ন পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্থির প্রকৃতির ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আকাশ বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তাকে আটক করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ফরিদপুরে দাদি, ফুফু ও এক প্রতিবেশীকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই নৃশংস ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত আকাশ মোল্লাকে ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
সূত্র: Prothom Alo
0 Comments