মধ্যপ্রাচ্যে একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট (এমইইউ) মোতায়েন করতে যাচ্ছে পেন্টাগন। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত তিনজন কর্মকর্তা সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এই দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল ইউনিটটিতে সাধারণত প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেরিন ও নৌসেনা সদস্য থাকে। তবে ইউনিটটি ঠিক কোন ধরনের মিশনে অংশ নেবে বা মধ্যপ্রাচ্যের কোন স্থানে মোতায়েন করা হবে—সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি পেন্টাগন।
সামরিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ ধরনের ইউনিট সাধারণত বড় আকারের উচ্ছেদ অভিযান (ইভাকুয়েশন) এবং উভচর অভিযানের মতো সংবেদনশীল মিশনে অংশ নেয়। উভচর অভিযানের ক্ষেত্রে জাহাজ থেকে উপকূলে সেনা, যানবাহন ও রসদ স্থানান্তরের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে শত্রু অবস্থানে আকস্মিক হামলা (রেইড) বা সরাসরি আক্রমণের মতো অভিযানও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ যুদ্ধ ইউনিট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে নিজস্ব স্থল যুদ্ধ বাহিনী (গ্রাউন্ড কমব্যাট এলিমেন্ট) এবং বিমান যুদ্ধ বাহিনী (এভিয়েশন কমব্যাট এলিমেন্ট) থাকে, যা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে অভিযান পরিচালনায় সক্ষম।
এ ছাড়া ইউনিটটির কিছু সদস্য বিশেষ অভিযানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত থাকে। ফলে তারা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও জটিল মিশন সফলভাবে পরিচালনা করতে পারে।
যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে স্থল সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে ভবিষ্যতে এমন কোনো সম্ভাবনাও তারা পুরোপুরি নাকচ করে দেননি।
মেরিন ইউনিট মোতায়েনের খবরটি প্রথম প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
0 Comments