স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেঘাই হালদার পাবলিক একাডেমীর দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাজ মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে টিকটকে ভিডিও বানিয়ে আসছিল এবং তার প্রোফাইলে হাজার হাজার ফলোয়ার ও ভিউ ছিল। ঘটনার দিন একটি বিরহের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়ার অভিনয় করতে চেয়েছিল সে।
ভিডিও ধারণের সময় গলায় দেওয়া ফাঁসটি হঠাৎ শক্ত হয়ে যায় এবং সেটি সত্যিকারের ফাঁসে পরিণত হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই সে অচেতন হয়ে পড়ে।
দীর্ঘ সময় ঘর থেকে নিচে না নামায় তার ছোট বোন খুঁজতে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে এবং বৃহস্পতিবার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যামেরার সামনে কোনো বক্তব্য দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে পুলিশ।
ছেলের এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত মা ও দাদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ ভিডিওর প্রবণতা রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহলের মতে, দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার প্রবণতা অনেক তরুণকে ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে ঠেলে দিচ্ছে।
0 Comments