সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরাঘচি বলেন, ইরান কোনো বার্তা পাঠায়নি এবং যুদ্ধবিরতির আবেদনও করেনি। তার ভাষ্য, “আমরা যুদ্ধ চাই না, তবে যুদ্ধের সমাপ্তি এমনভাবে হওয়া উচিত যাতে পুনরায় আগ্রাসনের চিন্তাও শত্রুদের মাথায় না আসে।”
সিবিএস নিউজকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি না চাওয়ার অর্থ এই নয় যে ইরান যুদ্ধ চায়। বরং লক্ষ্য হচ্ছে ভবিষ্যতে হামলার পুনরাবৃত্তি রোধ করা।
আরাঘচি দাবি করেন, গত মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান তাদের কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তার দাবি, আগের সংঘাতের এক পর্যায়ে শত্রুদের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করতে হয়েছিল এবং পরে তারা যুদ্ধবিরতির আবেদন জানাতে বাধ্য হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সংঘাতে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আলি খামেনির মৃত্যু হয়েছে, যা তার দীর্ঘ সংগ্রামের ‘সম্মানের পদক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ অনেক সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের শুরু থেকে সময়টি কঠিন ছিল, তবে দেশের প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণ জাতির জন্য গর্বের বিষয়। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালী এখনো খোলা রয়েছে, তবে দেশের শত্রু ও আগ্রাসনে জড়িতদের জন্য এই পথ বন্ধ থাকবে।
আরাঘচির মতে, শত্রুরা ইতোমধ্যেই বুঝতে পেরেছে তারা কেমন জাতির মুখোমুখি হয়েছে—একটি জাতি যা নিজেদের রক্ষায় কোনো দ্বিধা করে না এবং প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
0 Comments