আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন।
এই আয়োজনের প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ক্রীড়া পরিদপ্তরের উদ্যোগে দেশের সকল জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং জেলা ক্রীড়া অফিসারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে সাতটি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে সিলেট থেকে এই কর্মসূচির যাত্রা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাগুলো প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হবে। সেখান থেকে বিজয়ীরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে।
তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তৈরি হবে। বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের জন্য সরকারি ক্রীড়া বৃত্তি থাকবে এবং বিকেএসপির মাধ্যমে উন্নত প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা ও সার্বিক সহায়তা দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ ও কর্মঠ জাতি গঠনে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতি বছর নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে এবং চলতি বছরের আসর আগামী জুলাই মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছর খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যন্ত ক্রীড়াকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এই আয়োজন সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
0 Comments