সরেজমিনে দেখা যায়, টঙ্গীর মেইলগেট থেকে স্টেশন রোড বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মহাসড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে একাধিক বাস দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও পাশাপাশি কয়েকটি বাস পার্কিং করায় মহাসড়কের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জায়গা দখল হয়ে গেছে। এতে সড়ক সংকুচিত হয়ে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব পার্কিং থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করা হয়। রাতের বেলায় সেখানে মাদক সেবনের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি তাদের। এ ছাড়া ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাশেম-এর নাম ভাঙিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তুরাগ পরিবহনের টঙ্গী এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত লাইনম্যান বাবু মুঠোফোনে বলেন, মহাসড়কে যাতে অতিরিক্ত গাড়ি পার্কিং না হয়, সে বিষয়ে তিনি চেষ্টা করেন। তবে অনেক চালক নির্দেশনা মানেন না বলে দাবি তার। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি পরিবহন-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে রয়েছেন।
৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাশেমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর টঙ্গী পশ্চিম থানা শাখার আহ্বায়ক প্রভাষক বশির উদ্দিন বলেন, দলীয় নাম ভাঙিয়ে কেউ অনিয়ম বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্রাফিক টঙ্গী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার এ কে এম আসাদুজ্জামান বলেন, মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে জনবল সংকটের কারণে সবসময় কঠোর নজরদারি সম্ভব হয় না। তিনি জানান, মহাসড়কের পাশে কাউন্টার স্থাপন করে কিছু পরিবহন বাস পার্কিং করছে, যা সড়ক ব্যবস্থাপনায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে যানজট ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।
0 Comments