শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় মোটিভেশনাল মিটিং আয়োজন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি। ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল ঠেকাতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি নির্দেশ দেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথ বডি সার্চ নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদার করতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্নসংক্রান্ত কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
এহছানুল হক মিলন বলেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে এবং অটোপাশের সুযোগ আর দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার পরিবর্তে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি যেসব জেলায় জিলা স্কুল নেই, সেখানে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমন্বিত জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
0 Comments