সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত দপ্তর ও সংস্থাগুলোর মাসিক সমন্বয় সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। সভায় বিধিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
রাজউক ছাড়াও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (খউক), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাউক), কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক), গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (গাউক) এবং যশোর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (জাক) ভবন পরিদর্শনের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকেও ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবন নির্মাণে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে।
সভায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোতে ইমারত পরিদর্শকের শূন্য পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিদর্শকদের নির্দিষ্ট ভবন বা এলাকা উল্লেখ করে দায়িত্ব বণ্টনের পাশাপাশি বিধিমালা লঙ্ঘনকারী নির্মাণকাজে অভিযান চালানোর পর তা অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে কিনা— সে বিষয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিধিমালা মেনে ভবন নির্মাণে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ২০২২–২০৩৫ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করতে দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের নিয়মিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অব্যবহৃত ও অবৈধ দখলে থাকা সরকারি জমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্টদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, অনেক ক্ষেত্রে ভবন নির্মাণে নিয়ম-নীতি মানা হচ্ছে না। তাই সব দপ্তর ও সংস্থাকে পরিদর্শনের সংখ্যা বাড়িয়ে কঠোর নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
0 Comments