বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখার বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক।
সভায় জানানো হয়, শরীয়াহ অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির—এই ছয়টি পণ্যের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বা তার বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে আদায় করা যাবে। গম ও আটার ক্ষেত্রে এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) এবং খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’) পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে এক কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে) ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ৫৯৫ টাকা (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে) নির্ধারণ করা হয়েছে।
কিসমিসের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২ হাজার ৬৪০ টাকা (প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে), খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা ধরে) এবং পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে) ফিতরা আদায় করা যাবে।
পণ্যের স্থানীয় বাজারমূল্যের তারতম্য অনুযায়ী নিজ নিজ এলাকার দামে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলে জানানো হয়। ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় নেছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে নিজের ও নির্ভরশীলদের ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব এবং ঈদের নামাজের আগে তা আদায় করতে হয়।
0 Comments