দলীয় সূত্র জানায়, এবারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্মানীসহ জনমুখী বিভিন্ন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নারী ও তরুণদের আকাঙ্ক্ষা এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর আলোকে ইশতেহারের বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়েছে।
ইশতেহারের অন্যতম প্রধান কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’, যার মাধ্যমে প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে সার-বীজ, ভর্তুকি, কৃষি ঋণ ও বীমা সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে প্রায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, শিক্ষায় কারিগরি ও বিদেশি ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং ১৮ মাসে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ, প্রতিটি জেলায় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদানের বিষয়ও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত থাকছে।
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সুরক্ষা, দুর্নীতি দমন কমিশনের পূর্ণ স্বাধীনতা, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারও বিএনপির ঘোষণাপত্রে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
0 Comments