গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর দিনটিকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ওই ঘটনায় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে লাশ গুম ও পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর বড় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয়।
এ ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের বহু মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাকে হারায়, যা সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে প্রভাব ফেলে। দিনটি সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পুরো জাতির জন্য শোকাবহ হিসেবে বিবেচিত।
দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় এবং এতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। তিনি শহীদদের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানান।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বলার অবকাশ নেই। তবে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল বলে নাগরিকদের তা উপলব্ধিতে রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার পর নানা মিথ্যা ও অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।
0 Comments