চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রভাবশালী বা সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় নেতাকর্মীরা জামিনে মুক্ত হয়ে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করতে পারেন—এমন আশঙ্কা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে থাকা পুরোনো বা নতুন মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার বা ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে কারাগারে রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিশেষ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ নিষিদ্ধ বা কার্যক্রম স্থগিত থাকা সংগঠনগুলোর সক্রিয় নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে। তবে যেসব কর্মীর সাংগঠনিক সক্ষমতা নেই বা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রয়োজন নেই বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।
ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জরুরি হিসেবে বর্ণনা করে রাজশাহী রেঞ্জের প্রতিটি জেলায় নির্দেশনা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। চিঠিতে আরও জানানো হয়, এর আগে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছিল।
এছাড়া ভিআইপি প্রটোকল ও নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধি কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনাটি রাজশাহী রেঞ্জের আওতাধীন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রতিরোধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
0 Comments