প্রতিবেদনে বলা হয়, শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনায় ৩০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। সরাসরি গণভবন থেকে এ অভিযানের নির্দেশ আসে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
এরপর আসামির তালিকায় রয়েছেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ। তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পরিকল্পিতভাবে হেফাজতের নেতাকর্মীদের ঢাকায় আনা হয়। তাদের ভয় দেখাতে সারাদিন ত্যক্ত-বিরক্ত করা হয় এবং ভাঙচুরের খবর গণমাধ্যমে প্রচার করে তাদের হেয় করার চেষ্টা করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাত ১০টার পর শাপলা চত্বরে অভিযান চালানোর প্রাথমিক নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। সেই নির্দেশনার পর রাত ১টা ৪৫ মিনিটে লাইট নিভিয়ে একদিক খোলা রেখে সমন্বিতভাবে ক্র্যাকডাউন পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তবে এ ঘটনায় মোট কতজন নিহত হয়েছেন, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নিহতদের নিয়ে সংগঠন ‘অধিকার’-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।
0 Comments