রেশমার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অনলাইনে ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে যোগাযোগ করতেন। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে নিজের পরিবারে নির্যাতনের গল্প শুনিয়ে সহানুভূতি আদায় করতেন। পরে ভুয়া বিয়ের নাটক করে হাতিয়ে নিতেন মোটা অঙ্কের টাকা।
সর্বশেষ তিনি এক পঞ্চায়েত সদস্যকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফাঁদ পাতেন। কিন্তু সেই সদস্য সন্দেহ হওয়ায় থানায় অভিযোগ জানান। পুলিশ পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে বিয়ের ভাড়া করা হলে রেশমাকে ফাঁদ পেতে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, রেশমার ব্যাগ থেকে আরও কয়েকজনের ভুয়া বিয়ের সনদ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার তদন্তে উঠে আসতে পারে আরও ভুক্তভোগীদের তথ্য। এর আগে একই ধরনের ঘটনায় রাজস্থান ও উত্তরাখণ্ডে আরও দুই নারী গ্রেপ্তার হয়েছেন।
0 Comments