কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর, লুটপাট ও চুরির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আজ রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার ইন্সপেক্টর সুব্রত দেবনাথ আসামিদের আদালতে হাজির করে এই রিমান্ড আবেদন করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) তারেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন মো. মামুন, মো. আসলাম ও মুন্না। মামলার বাদী নিউ গিনি প্রজেক্টের পরিচালক সাইফুল ইসলাম। এজাহারভুক্ত ১৩ জন আসামির মধ্যে এই তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের রাজনৈতিক পরিচয় এখনো জানা যায়নি। কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির এ ঘটনায় পৃথক কোনো মামলা করেননি। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত শনিবার ক্যান্টনমেন্ট থানার পশ্চিম মাটিকাটায় নিউগিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের প্রকল্প এলাকায় প্রায় ৫০ জন দুষ্কৃতকারী অনধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি প্রায় ৫০টি গুলি ছোড়ে এবং রামদা, ছোরা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. পারভেজসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এ সময় সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউন ফিস নামের স্টুডিওতে অনধিকার প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা প্রকল্প এলাকা থেকে নগদ টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, বিআরবি ক্যাবল, ক্যামেরা ও প্রফেশনাল মিডিয়া সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে এবং গাড়ি ভাঙচুর করে। এতে প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি এবং ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শটগানের পাঁচটি গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে পরিচালিত অভিযানে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে দেশি অস্ত্র ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ও লুটপাট মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আদালত শুনানির তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।


0 Comments