শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় করতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের জাতীয় সম্মাননার পরিধি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ বছর ১২ জনের পরিবর্তে মোট ১০০ জন কৃতি শিক্ষককে এই সম্মাননা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার প্রাক্কালে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন। মাহদী আমিন জানান, নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সর্বমোট ১০০ জন শিক্ষককে এই সম্মাননার আওতায় আনা হচ্ছে। আগামী ৫ অক্টোবর ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রধান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শিক্ষকদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, এবারের সম্মাননা তালিকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিকের সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসাসহ কলেজ, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং চিকিৎসা, কৃষি, প্রকৌশল ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তির মতো বিশেষায়িত খাতের শিক্ষকদের নিরপেক্ষভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। শিক্ষকদের ভূমিকা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষকরা কেবল পাঠদানই করেন না, বরং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সততা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠনে কাজ করেন। মেধাভিত্তিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা বাস্তবায়নে শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং টেকসই শিক্ষা নীতি গ্রহণ সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল ও মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব জেসমিন নাহার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের জাতীয় সম্মাননার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে ১২ জনের পরিবর্তে ১০০ জন কৃতি শিক্ষক এই সম্মাননা পাবেন।


0 Comments