ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা ১১৫টির মধ্যে ১১৪টিতেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিকের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে। তবে ক্লাবটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও এখনো চূড়ান্ত কোনো শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। স্বাধীন কমিশন এখন নির্ধারণ করবে কী ধরনের শাস্তি পেতে পারে ক্লাবটি। ধারণা করা হচ্ছে, এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে ম্যানচেস্টার সিটি, যার ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে আরও সময় লাগতে পারে। সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগকে মোট পাঁচটি ভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমের মধ্যে সঠিক আর্থিক তথ্য ও খেলোয়াড়-কোচদের পারিশ্রমিকসংক্রান্ত হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়া, ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত উয়েফার ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নিয়ম মানতে না পারা, ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের পিএসআর নিয়ম লঙ্ঘন এবং ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে। সিটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বেশির ভাগই ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমের মধ্যকার। ওই সময়ে ক্লাবটি তিনটি প্রিমিয়ার লিগ, তিনটি লিগ কাপ ও দুটি এফএ কাপসহ মোট আটটি বড় ঘরোয়া ট্রফি জিতেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর এসব শিরোপা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হচ্ছে না, তবে অতীতের অর্জন থেকে ট্রফি কেড়ে নেওয়ার বিষয়টি সম্ভাব্য শাস্তির তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া সিটির পয়েন্ট কেটে নেওয়া, প্রিমিয়ার লিগ থেকে সরাসরি অবনমন বা বহিষ্কার, বড় অঙ্কের জরিমানা, দলবদলে নিষেধাজ্ঞা কিংবা ম্যাচ খেলায় স্থগিতাদেশের মতো শাস্তিগুলোও আসতে পারে। স্বাধীন কমিশনের রায় আসার পরই কেবল শাস্তির চূড়ান্ত রূপ এবং এর প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে ক্লাবটির শাস্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

0 Comments