বাগেরহাটের মোল্লাহাটে মুসলিমা নামের ছয় বছর বয়সী এক শিশুর গলা কাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি পানের বরজের পাশ থেকে পলিথিনে মোড়ানো বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মুসলিমা মোল্লাহাট উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের ইসলাম শেখের মেয়ে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে বাড়ির আশপাশে খেলার সময় নিখোঁজ হয় মুসলিমা। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয়রা জাহাঙ্গির শেখের পানের বরজের পাশে বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম রাতে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পানের বরজের মালিক জাহাঙ্গীরের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলে জানান মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তবে কী কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নিখোঁজের পর মুসলিমা নামের ছয় বছর বয়সী এক শিশুর গলা কাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।


0 Comments