র্যাব বিলুপ্ত হওয়ার পর পুলিশের নবগঠিত বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত বুধবার থেকে গত শুক্রবার পর্যন্ত এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়। এসআরবির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এসআরবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হত্যা, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামিরা ছাড়াও বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এ ছাড়া ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অবৈধ অস্ত্র বহন, মাদক কারবার, প্রতারণা, জাল টাকার কারবার, জুয়া খেলা, চোরাচালান এবং নাশকতা সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাও এই অভিযানে ধরা পড়েছেন। অভিযানের সময় এসআরবি অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করে। এর মধ্যে রয়েছে ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, আধা কেজির বেশি হেরোইন, ২৩১ বোতল ফেনসিডিল, ২০০ কেজি গাঁজা, ৫ হাজার ইয়াবা বড়ি এবং ২৯ লিটার দেশি-বিদেশি মদ। গত মঙ্গলবার স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-২০২৬ আইনের প্রজ্ঞাপন গেজেটে প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীন এই বিশেষায়িত ইউনিটটি গঠিত হয় এবং র্যাবের সমস্ত জনবল, ক্ষমতা, তহবিল ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি এসআরবির কাছে স্থানান্তরিত হয়।
র্যাব বিলুপ্ত হয়ে এসআরবি গঠনের পর প্রথম তিনদিনের দেশব্যাপী অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ১৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


0 Comments