কক্সবাজারের প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন এখন এক শান্ত ও স্নিগ্ধ রূপ ধারণ করেছে। পর্যটকদের চিরচেনা কোলাহল নেই, জাহাজঘাটেও দেখা যাচ্ছে না কোনো ভিড়। সৈকতের বিস্তৃত নীল জলরাশি আর সাদা ফেনা নিয়ে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের দৃশ্য এখন অনন্য এক আবহ তৈরি করেছে। সাগরের বুকে সারি সারি নারকেলগাছের নুয়ে পড়া পাতার ফাঁক দিয়ে দেখা যাওয়া এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে মনে হচ্ছে একখণ্ড স্বর্গ। মূলত পর্যটক যাতায়াতের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা এবং বর্ষাকালীন মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সেন্ট মার্টিনের প্রকৃতি নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। মানুষের আনাগোনা কমে যাওয়ায় দ্বীপের নির্জনতা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সংক্ষেপে:
পর্যটক যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা এবং বর্ষার মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নতুন প্রাণ পেয়েছে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। কোলাহলমুক্ত সৈকত আর নীল জলরাশির মিতালিতে দ্বীপটি এখন যেন এক শান্ত স্বর্গ।
পর্যটক যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা এবং বর্ষার মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নতুন প্রাণ পেয়েছে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। কোলাহলমুক্ত সৈকত আর নীল জলরাশির মিতালিতে দ্বীপটি এখন যেন এক শান্ত স্বর্গ।


0 Comments